নিজস্ব প্রতিবেদক: রিয়েল এস্টেট খাতের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুবিধা নিয়ে এলো রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। দেশের অন্যতম পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে রিহ্যাবের সদস্য, তাদের কর্মী এবং আইনগত নির্ভরশীলরা বছরজুড়ে বিশেষ আতিথেয়তা সুবিধা পাবেন।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের গ্র্যান্ড সামিট-২ হলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ আতিথেয়তা ও রিয়েল এস্টেট—দুই খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে এবং রিহ্যাব সদস্যদের জন্য অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, রিহ্যাবের সম্মানিত সদস্য, তাদের কর্মীবৃন্দ ও আইনগত নির্ভরশীলগণ এবং রিহ্যাব সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের নির্ভরশীলরা ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে সারা বছর বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
সবচেয়ে আকর্ষণীয় সুবিধার মধ্যে রয়েছে হোটেলের আবাসন বা রুম বুকিংয়ে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। পাশাপাশি খাবারের ক্ষেত্রে থাকবে জনপ্রিয় ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’ অফার, যা সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য উল্লেখযোগ্য সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট (২) আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, পরিচালক এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী এবং হাবিবুর রহমান হাবিব উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিদ্দিকীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উভয় পক্ষ সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন এবং ফটোসেশনে অংশ নেন। এ সময় সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্ব শুধু সদস্যদের জন্য উন্নতমানের সেবা নিশ্চিত করবে না, বরং আতিথেয়তা ও আবাসন শিল্পের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন দিগন্তও উন্মোচন করবে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, করপোরেট অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সদস্যদের জন্য মূল্য সংযোজনমূলক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রবণতা দেশে ক্রমেই বাড়ছে। রিহ্যাব ও ঢাকা রিজেন্সির এই উদ্যোগও সেই ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা সংগঠনের সদস্যদের জীবনযাত্রায় বাস্তব সুবিধা এনে দেওয়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।